শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:২৮ অপরাহ্ন
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক :: বরিশাল দক্ষিন চকবাজার রাস্তার পশ্চিম পার্শ্বে জেলা পরিষদের নির্মাণাধীন ০২ নং মার্কেটের সিড়ি পাশের রুমটি গোপ-গোপনে চেয়ারম্যান মইদুল ইসলাম ১৫ লাখ টাকা আত্মসাত করেছে স্টল বরাদ্দে নাম দিয়ে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ রয়েছে, চেয়ারম্যান মইদুল ইসলাম জেলা পরিষদের স্টল বরাদ্দর নাম করে গোপনে কোন ধরনের যাচাই বাছাই ছাড়াই টাকার বিনময়ে একজন আবেদনকারীকে অবৈধভাবে স্টল বরাদ্দ দিয়েছে। জেলা পরিষদ সুত্রে জানাযায়, চেয়াম্যানের একক সিদ্ধান্তে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে বরাদ্দ দিয়েছেন অবৈধভাবে ওই স্টলটি । অফিস সুত্রে আরো জানা যায়, ওই স্টল বরাদ্দ গোপনীয়ভাবে হয়েছে তার সাথে মাত্র দুই তিন জন জড়িত। আরো জানা যায়, স্টল বরাদ্দের ব্যাপারে অফিসের অন্য অন্য কর্মকর্তাদে না জানিয়ে রাতে আদারে হয়েছে চেয়ারম্যানের কারিশমা। তবে বহুবার চেয়ারম্যানের রাতের কারিশমা পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। আরো জানাযায়, তার দায়েত্ব পালন অবস্থায় স্টল বরাদ্দ খেয়া ইজারাসহ জেলা পরিষদের কোন কাজেই কমিটি গঠন করেননি তিনি। অবৈধভাবে স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে বলে চকবাজার ব্যবসায়ীরা একের পর এক সম্মেলন করে যাচ্ছে। তবে ব্যবসায়ীদের অভিযোগে স্বগাতম জানায় চকবাজারের প্রবীনরা ব্যবসায়ীরা। গোপনে স্টল বরাদ্দের কারনে এক ব্যবসায়ী আরেক ব্যবসায়ীর মাঝে ক্ষোব সৃষ্টি করে দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তারা। তবে একদিকে যেমন সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব, তেমনি গোপনে স্টল বরাদ্দ নেয়ার প্রতি অন্য অন্য ব্যবসায়ীদের ক্ষোব বিরাজ করছে বলে জানা গেছে। ওই সুত্রটি আরো জানিয়েছে, চেয়ারম্যান ১৫ লাখ টাকার বিনয়মে স্টলটি বরাদ্দ দিয়েছেন দক্ষিণ চকবাজারের ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান, আবদুল রহমান দুই ভাইকে। জানা যায়, দুই ভাই মিলে চেয়ারম্যানকে মোটা অঙ্কের ঘুষ দিয়ে অবৈধভাবে স্টলটি বরাদ্দ নিয়েছে। ওই স্টল পাওয়া দক্ষিন চকবাজার ব্যবসায়ী সঞ্চয় সমিতি সাধারন সম্পাদক খলিলুর রহমান মোঃ আইয়ুব আলী খানসহ চকবাজার ব্যবসায়ীরা এ ব্যাপারে বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানায় গতকাল একটি অভিযোগ করেছেন। অভিযোগ কারীরা বলেন, আমরা দীর্ঘ ১৪ বছর যাবৎ ০২ নং মার্কেটের সকল স্টলের বৈদ্যুতিক মিটার, পানির মোটর, জেনারেটর ও দারোয়ানের থাকার জন্য ব্যবহার করে আসছি। কিন্তু মোটা অংকের টাকার বিনয়মে আমরাসহ সংশ্লিষ্ট কাউকে কিছু না জানিয়ে চেয়ারম্যান অবৈধভাবে স্টলটি বরাদ্দ দিয়ে দেয়। তারা আরো জানায়, আমাদের ধাবি না মানলে আদালতের সহপন্ন হব। অভিযোগের বিষয় জানতে চাইলে চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের বলেন, এটা জেলা পরিষদের ব্যাপার আপনারা এতো নারাচারা করেন কেন। তা ছাড়া স্টল বরাদ্দ দিয়েছেন, প্রধান নির্বাহী আমি কিছু জানিনা। নাম প্রকাশে অনি”ছুক জেলা পরিষদের এক কর্মকর্তা বলেন, “স্টল বরাদ্ধের ব্যাপারে চেয়ারম্যান কারো মতামত গ্রহণ করে না।